সারের বরাদ্দে ঘাটতি ও বিতরণে সমস্যা

প্রকাশ: ১৮:৪৩, ২৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৪৬, ২৮ আগস্ট ২০২৬

সারের বরাদ্দে ঘাটতি ও বিতরণে সমস্যা

আবাদি জমির তুলনায় সারের বরাদ্দ কম। সরকার-নির্ধারিত পরিবেশকদের বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত খোলা হয় না। আবার এক জায়গার সার বিক্রি হয় আরেক জায়গায়। পরিবেশকদের বেশির ভাগ গুদাম ইউনিয়নের বাইরে। অন্যদিকে চাহিদার বিপরীতে যেটুকু সার বরাদ্দ হয়, সেটুকুও সময়মতো কৃষকের কাছে পৌঁছায় না।

মূলত এই পাঁচ কারণে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নে পরিবেশকের (ডিলার) গুদাম থেকে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে। গতকাল সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম জেলা সদর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে শিলখুড়ি ইউনিয়নে যান প্রথম আলোর এই প্রতিবেদক। বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সাড়ে ৪ ঘণ্টা ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সদর ও শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম-বাজার ঘুরে কৃষক, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, সার পরিবেশক, রাজনৈতিক নেতা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

স্থানীয় কৃষকেরা অভিযোগ করেন, আমন ধান রোপণের পর প্রয়োজনীয় সার তাঁরা পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে খোলাবাজার থেকে বেশি দামে সার কিনতে হচ্ছে।

শিলখুড়ি ইউনিয়নের পাগলার হাট এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আলী ১২ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ধান রোপণের ২১ দিনের মধ্যে সার দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু ২৬ দিনেও তিনি সার পাননি। তাঁর ভাষ্য, সরকারি মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি দামে খোলাবাজারে সার কিনতে হচ্ছে।

ইউনিয়নের আরেক কৃষক আজিজুল হক বলেন, ‘ধান চাষ করে নিজের বিপদ নিজেই এনেছি। এখন সারের জন্য ঘুরব, নাকি জমিতে ধানের পরিচর্যা করব?’

আরও পড়ুন