শুক্রবার   ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ||  অগ্রাহায়ণ ১৯ ১৪২৮ ||  ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৩

ACI Agri Business

হাইব্রিড ও ইনব্রিড ধানের ফলন দ্বিগুণ করতে গবেষণায় এসিআই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:২০, ৩১ মে ২০২১

চার বছরের মধ্যেই হাইব্রিড এবং উফসী জাতের প্রায় দ্বিগুণ করার কথা জানিয়েছে দেশের বেসরকারি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান এসিআই লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ২০২৫ সালের মধ্যে হেক্টর প্রতি হাইব্রিড ধানে ১৫ টন ও ইনব্রিডে ১০ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছেন তারা। 

গড় ফলন বাড়ানোর এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নিজেদের উদ্ভাবিত জাত নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছে এসিআই। গাজীপুরের মাওনাতে সম্প্রতি এসিআইয়ের গবেষণা মাঠ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহাজান কবির।

এসময় গবেষণা মাঠ সম্পর্কে অবহিত করেন এসিআই সিডের বিজনেস ডিরেক্টর সুধীরচন্দ্র নাথ ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা।

এসিআই এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।  এসিআই এর পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটিতে একদল চৌকস বিজ্ঞানী প্রিমিয়াম টাইপ লম্বা সুগন্ধি, ছোট সুগন্ধি ধান- কাটারিভোগ ও ছোট সুগন্ধি ধান- চিনিগুড়া, বেসিক টাইপ যেমন- আমন, বোরো ও স্বর্ণা এবং হাইব্রিড নিয়ে কাজ করছে। এর নেতৃত্বে আছেন কৃষিবিজ্ঞানী ড. মো. আব্দুস সালাম। ইতোমধ্যে এসিআই উন্নতমানের গবেষণার কাজ পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠিত করেছে উচ্চমানের মলিকুলার ল্যাব, জিন ব্যাংক, গ্রিন হাউস ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন গবেষণা মাঠ। সেখানেই নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

এসিআই ও আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট যৌথভাবে পাঁচ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ইতোমধ্যেই তারা উচ্চ ফলনশীল ইনব্রিড ধানের দুটি জাত রাবি ধান-১ ও বাউ ধান-৩ এবং হাইব্রিড ধানের একটি জাত উদ্ভাবন করেছেন যা কৃষকপর্যায়ে চাষাবাদ হচ্ছে।  

এছাড়াও বেশ কয়েকটি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে এসিআই। যার মূল বৈশিষ্ট্য উচ্চ ফলনশীলের পাশাপাশি স্বল্প জীবনকালসম্পন্ন, জিংকসমৃদ্ধ, জলবায়ুসহিষ্ণু এবং ব্লাস্ট রোগ ও ব্যাক্টেরিয়াল ব্লাইট রোগ প্রতিরোধী। 

Advertisement
Advertisement