বুধবার   ০৫ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২১ ১৪২৭ ||  ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ACI Agri Business

সায়েন্টিফিক রিসার্চ পেপার লেখার কিছু পরামর্শ

তানিয়া সুলতানা

প্রকাশিত: ০০:০৫, ১৫ অক্টোবর ২০১৮

আমি আমার প্রথম অরিজিনাল পেপার লিখেছিলাম আন্ডার গ্রাজুয়েশনে। এক্সপেরিমেন্ট ঠিকঠাক করতে পারলেও পেপারে কি লিখবো আর কিভাবে লিখবো তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার ছিলো না। গুগোলে অনেক টিপস থাকলেও অনেক প্রশ্নের জবাব পাইনি। তাই যারা প্রথম রিসার্চ পেপার লিখার কথা ভাবছেন, তাদের জন্য আমার অভিজ্ঞতা থেকে এই লিখা একটু হয়তো কাজে আসতে পারে।

• প্রথমে কি নিয়ে কাজ করবেন, তার আনুমানিক কি রেজাল্ট আসতে পারে তা নিয়ে ভাববেন। এই ধারনা পাওয়ার জন্য আপনার নির্ধারিত টপিকের উপর অনেক published article পড়বেন। অবশ্যই যা নিয়ে গবেষণা হয়নি বা কম হয়েছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে হবে।

• প্রথমে এক্সপেরিমেন্ট শেষ করবেন। কিন্তু এক্সপেরিমেন্ট করার সময় কোনদিন কি কাজ করেছেন, কি ডাটা পেয়েছেন তার সবই লিখে রাখতে হবে। যদি কোন এক্সপেরিমেন্ট বারবার করতে হয় তাও সব লিখে রাখবেন। Because you never know the future.

• এবার লিখার পালা। মোটামুটি রিলেটেড পেপার পড়ে এক্সপেরিমেন্ট করার সময়ই ধারনা পেয়ে যাবার কথা। যেই জার্নালে পাবলিশ করতে চান তাদের নির্ধারিত অরিজিনাল পেপার লিখার স্ট্রাকচার মাথায় নিয়ে পেপার লিখা শুরু করবেন। ভিন্ন ভিন্ন জার্নালের পেপার স্ট্রাকচার ভিন্ন ভিন্ন হয়। However, most of the journal follow the following structure. Let's have a look....

• Title page: 
পেপারের টাইটেল, রিসার্চারের এফিলিয়েশন এই পেইজে লিখা হয়। পেপারের টাইটেল এমন হওয়া বাঞ্ছনীয় যা পড়ে পাঠক পেপারে কি নিয়ে গবেষণা হয়েছে তার একটা ধারনা পেতে পারে।

• Abstract: 
এখানে পুরো পেপারের সারমর্ম লিখতে হবে। কি নিয়ে কাজ করেছেন, কেনো করেছেন, করে কি পেয়েছেন, সব গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো সংক্ষেপে, সাধারণত ৩০০ শব্দের মধ্যে লিখতে হবে।

• You can remember the acronym 'IMRAD' for the following topics

I- Introduction
M- Materials and Methods
R-Results
A-and
D-Discussion

• Introduction:
সম্পূর্ণ পেপারের তিন ভাগের একভাগই এই অংশে লিখা হয়। আপনার বিষয়বস্তুর ব্যাকগ্রাউন্ড, কি উদ্দেশ্যে এই গবেষণা করেছেন, কি লক্ষ্য ছিলো এবং গবেষণাক্ষেত্রে আপনার পাওয়া রেজাল্ট কি প্রভাব ফেলতে পারে তার সবই উল্ল্যেখ করতে হবে।
contextual background→ problem→ aims→ purpose of paper→ assumption of result → (citation is a must)

• Materials and Methods:
কি কি reagents নিয়ে কাজ করেছেন, reagent এর কোম্পানি নাম, কোন কোন এক্সপেরিমেন্ট করেছেন এবং তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা লিখতে হবে এই অংশে।
Introduce materials with company name → describe methods

• Results:
আপনার গবেষনায় পাওয়া রেজাল্ট relevant গ্রাফ এবং ফিগার দিয়ে এখানে তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজনীয় statistical analysis ও করতে হবে।
objectively state revelation → highlight biological results → using statistical analysis

• Discussion:
এই অংশে Introduction আর results থেকে পাওয়া আপনার নিজের findings গুলো লিখবেন। যথেষ্ট যুক্তি আর ডাটা দিয়ে তুলে ধরতে হবে। প্রতিটা যুক্তি সুস্পষ্ট হতে হবে।
Interpret your finding → Compare or contrast your data with previous results of others →(citation is a must)

• Conclusion:
আপনার গবেষনার মেজর findings ভবিষ্যতে গবেষনাক্ষেত্রে কি প্রভাব ফেলতে পারে তা সংক্ষেপে এই অংশে লিখবেন।
• Acknowledgements:
আপনার এই কাজে যারা আপনাকে হেল্প করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদ দিয়ে এই লিখা
giving thanks to funding agency → showing gratitude towards colleagues/ scientists or lab mates/

• Reference:
সম্পূর্ণ পেপারে যেই যেই previously published পেপার থেকে তথ্য নিয়েছেন তার রেফারেন্স দিতে হবে। ভিন্ন ভিন্ন জার্নালে রেফারেন্স লিখার স্টাইল ভিন্ন ভিন্ন রকম
Check the accuracy of citation and follow the journal specified style → use ENDNOTE or RefWORKS
• Selecting Journal and submission:

'A proper selection of journal has a great impact on your research paper'
select Journal wisely → submit → wait for the acceptance

শুরুটা কঠিন হলেও, 'Your article has been accepted' এই ইমেইল আপনার সব কষ্ট ভুলিয়ে দিবে। Believe me!!! 

লেখক: পিএইচডি শিক্ষার্থী, কুনকুক ইউনিভার্সিটি, সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া।

Advertisement
Advertisement