বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ||  কার্তিক ৮ ১৪২৬ ||  ২৪ সফর ১৪৪১

মাদক হিসেবে নয় ব্যাধি নিরাময়ে গাঁজা

কৃষিবিদ মাহবুব চৌধুরী

প্রকাশিত: ১১:০৪, ৫ জুলাই ২০১৯

ব্যথানাশক চিকিৎসায় গাঁজার ব্যাবহার সুবিদিত হওয়ায় ইদানিং গাঁজা নিয়ে অনেক গবেষণা চলছে। সারা বিশ্বে গাঁজার সম্পর্কে মানুষের নেতিবাচক ধারনা পাল্টাতে শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যদিও কেন্দ্রীয় সরকার (federal govt) গাঁজা বিক্রয় এবং সেবন বেআইনি করে রেখেছে, একুশটি অঙরাজ্যে (state) বিবিধ রোগের চিকিৎসার জন্য গাঁজার ব্যবহার আইনগত করা হয়েছে । এমনকি কয়েকটা রাজ্যে বিনোদনের জন্যও এটার ব্যবহার বৈধ করা হয়েছে। আমি বিনোদনের জন্য গাঁজার ব্যবাহারের পক্ষে নই। তবে চেষ্টা করব গাঁজার ক্ষতিকর এবং উপকারী উভয় দিকই তুলে ধরতে।

ইতিহাস
বেশি দিন আগের কথা নয় আফিমের মত মাদকদ্রব্য নিয়ে চীনে ব্যাপক গন্ডগোল হয়ে গিয়েছিল। শুধু গন্ডগোল বললে ভুল হবে, রাষ্ট্রযন্ত্র পর্যন্ত টলে গিয়েছিল এই আফিমের কারণে। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের চক্রান্তে চীন থেকে ব্রিটিশ ব্যবসায়িরা রৌপ্য নিয়ে যেত এবং তার বদলে জাহাজ ভর্তি আফিম নিয়ে আসতো চীনে। অবশ্য এই আফিম যে বৃটেনে চাষ করা হতো, তা কিন্তু নয়। ভারতবর্ষ ছিল ব্রিটিশদের আফিম চাষের আধার। এখান থেকেই চীনে আফিম পাঠানো হতো। ইতিহাস সাক্ষী চীনে আফিম নিয়ে যুদ্ধ পর্যন্ত হয়েছিল, যাকে বলা হয় ‘আফিম যুদ্ধ’। সেই যুদ্ধের পর গোটা বিশ্বেই মোটামুটি মাদকদ্রব্যের উপর একপ্রকার নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শুরু হয়ে যায়। দেশে দেশে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হতে থাকে মাদকদ্রব্যের উপর। নতুন নতুন আইন করা হয় মাদকদ্রব্য নিয়ে।

পুরোন ঢাকার অনেক অলিগলিতে কিছু নির্দিষ্ট দোকান দেখা যেত যেখানে সুলভ মুল্যে গাজা বিক্রি করা হতো। কিন্তু একটা সময় আবগারি শুল্ক আরোপ করে সেই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বন্ধ করে দেয়া হয়। সর্বত্র পোস্টার ব্যানার দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয় গাজা-মদ খাওয়া অপরাধ, এগুলো সেবন করলে জেল জরিমানা পর্যন্ত হবে। এরকমই চলছিল অনেকটা দিন-বছর। কিন্তু হঠ্যাৎ করেই বুঝি পাশার ছক পাল্টে গেল। ২০১০ সালের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে জোর আন্দোলন শুরু হয় গাজাকে বৈধ করে দেয়ার জন্য। এই আন্দোলন গুটি গুটি করে দুবছর পার করার পর ২০১২ সালের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে আন্দোলনকারীদের কথা শুনতে বাধ্য হয়। চিকিৎসা খাতে ব্যবহার করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার কিছু প্রদেশে গাজাকে বৈধ করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের রেশ ধরে আরও কয়েকটি দেশ গাজাকে বৈধ করে দেয়। মূলত এই সিদ্ধান্তের পরপরই শুরু হয়, বিশ্ববাসীর মনে মাদক প্রশ্নে নৈতিক দোদুল্যমানতা।

পরিচিতি
গাঁজা এক ধরনের উদ্দীপক মাদক। মাদক হিসাবে গাঁজার ব্যাবহার খ্রিষ্টপূর্ব ২০০০ সাল থেকে। সনাতন ধর্মগ্রন্থ অথর্ব বেদে এবং পুরাণেও গাঁজার কথা উল্লেখ আছে। পুরাণে উল্লেখ আছে দেবতারা গাঁজা গাছের জন্ম দিয়েছেন এবং সমুদ্র মন্থনকালে অমৃত থেকে গাঁজা গাছের উৎপত্তি। ইউরোপে গাঁজা ব্যাবহারের তথ্য পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০ সালে গ্রিক দার্শনিক হেরোডোটাসের লেখায়।

গাঁজার বিভিন্ন প্রজাতি এবং প্রকার আছে। সমস্টিগতভাবে এগুলো মারিজুয়ানা নামে পরিচিত। ধারনা করা হয় মারিয়া ও জুয়ানার নামানুসারে গাঁজার এই নামটি প্রথম দেয় মেক্সিকানরা। তাছাড়া এই মাদকটি বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে পরিচিত। গাঁজা সেবনে ইন্দ্রিয় উত্তেজিত হয় বলে এর আরেক নাম ' হরষিনী ' এছাড়া গাঁজার আরও ডাক নাম হচ্ছে, চার্জ , ড্যাগো (দঃ আফ্রিকা); গ্রাস , হাস , হেম্প , কিয়েফ ( উঃ আফ্রিকা); পট , টি , জয়েন্ট, উইড (উঃ ও দঃ আমেরিকা); গাজে , গাঞ্জো ( ওয়েস্ট ইন্ডিস )।

প্রকারভেদ
গাঁজা গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Canabis sativa Linn . গোত্র Urticaceae . 
এই গোত্রের আর কোন গাছ থেকে মাদক তৈরি হয় না। গাঁজা গাছের স্ত্রী-পুরুষ আছে। এবং দুই গাছেই ফুল বা মঞ্জুরি হয়। কিন্তু শুধু স্ত্রী গাছ থেকেই গাঁজা, ভাং বা চরস তৈরি করা হয়। মজার ব্যাপার হোল যে, পুরুষ গাছের কোন মাদক ক্ষমতা নেই।
Cannabis sativas L.এর দুটো উপ-প্রজাতি (subspecies) আছেঃ
১। Cannabis sativa ssp sativa
২। Cannabis sativa ssp indica
Indica এর পাতা চওড়া আর sativa এর পাতা চিক্কন হয়। sativa গাছ indica এর চেয়ে লম্বা হয়। আমরা অনেকেই গাঁজা, ভাং, সিদ্ধি, চরস, হাসিস এই নামগুলোর সাথে পরিচিত হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য হয়ত অনেকেরই জানা নেই। নীচে পার্থক্য গুলো দেয়া হল (সূত্র : ভারতীয় বনৌষধি (চতুর্থ খণ্ড)। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। ২০০২):

গাঁজা: স্ত্রীপুষ্পকে ৪৮ ঘণ্টা রৌদ্রে শুকালে ফুলগুলো জমাট বেধে যায়। এই জমাটফুলই গাঁজা নামে বিক্রয় হয়। সাধারণত কল্কিতে গাঁজা ভরে অগ্নিসংযোগ করে এর ধোঁয়া গ্রহণ করা হয়। এছাড়া সিগারেট বা বিড়ির মতো করে গাঁজা ভরে এর ধুমপান করা হয়।

ভাং: স্ত্রী উদ্ভিদের ভূ-উপরিস্থ অংশ শুকিয়ে বা কাঁচা অবস্থায় পিষে পানির সাথে মিশিয়ে সরবত বানিয়ে পান করা হয়। নেশাকারক উপাদান কম থাকে বলে গাঁজা অপেক্ষা ভাং কম দামে বিক্রয় হয়। ভাং এর শরবত পুরানো ঢাকায় খুব বিখ্যাত। হিন্দুদের কালি পূজায় ভাং এর সরবত তৈরি করা হয়।

সিদ্ধি: গাঁজা গাছের পাতা শুকিয়ে সিদ্ধি তৈরি করা হয়। সিদ্ধি থেকে অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে ঔষধ তৈরি করা হয়। এছাড়া সিদ্ধি মুখে পুরে চিবিয়ে নেশা করে অনেকে।

চরস্: গাছের আঠা থেকে চরস তৈরি হয়ে থাকে। অনেক সময় গাঁজার ফুল শুকানোর সময় যে গুঁড়া উৎপন্ন হয়, তা আঠার সাথে যুক্ত করে চরস তৈরি হয়ে থাকে। অনেক সময় এই আঠা পাওয়ার জন্য গাঁজার গাছ কেটে দেওয়া হয়। সাধারণত indica দিয়ে চরস তৈরি করা হয়।

হাসিস: গাঁজার স্ত্রীপুষ্পের নির্যাস থেকে হাসিস তৈরি করা হয়। গাঁজা গাছ থেকে উৎপন্ন সকল নেশা দ্রব্যের মধ্যে হাসিসকে শ্রেষ্ঠ বিবেচনা করা হয়।

চেতনা পরিবর্তন
সাধারণত গাঁজা সেবনের পর মনে এক ধরনের আনন্দ দেখা দেয়। গাঁজা সেবনের পর অন্তর্দৃষ্টি খুলে যায় অর্থাৎ খুলে যায় এক কল্পনার রাজ্য। কল্পিত বস্তু, কল্পনার রং আরও প্রখর হয়ে দেখা দেয়। গাঁজা সেবনের ফলে মায়া বিভ্রমও দেখা দেয়। গাঁজা টানার পর কোন স্থান , কাল , পাত্রের কোন খেয়াল থাকে না। কথা বলার প্রবনতা বেড়ে যায়। চোখ লাল হয়ে যায়। শরীরের রক্তচাপ কমে যেতে পারে। ঘন ঘন শুকনা কাশি হতে থাকে। এই অবস্থার দুই থেকে চার ঘন্টা চলার পর আস্তে আস্তে শিথিলতা আসে, ঘুম আসে।

সক্রিয় উপাদান
মারিজুয়ানার দুইটি সক্রিয় উপাদান delta-9-tetrahydrocannabinol (THC) এবং cannabidiol (CBD) চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। THC চেতনা পরিবর্তনকারী (psychoactive) রাসায়নিক দ্রব্য যেটা অমূলপ্রতক্ষ্যের (hallucination) এর জন্য দায়ী। CBD চেতনা পরিবর্তন না করেই মস্তিস্ক জনিত বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ভাল কাজ করে বলে CBD সমৃদ্ধ গাজা অষুধ হিসেবে বেশী গ্রহনীয়। THC এবং CBD এর রাসায়নিক ফরমুলা এক হলেও কার্যকরীতার ভিন্নতার জন্য অনুর কাঠামগত গঠনের তারতম্য দায়ী।
THC এবং CBD এর তুলনা নীচে দেয়া হল...
THC আনন্দময় অনুভুতির (high)সৃস্ঠি করে আর CBD তা করে না।
THC মানষিক উদ্বেগ বাড়ায়, CBD মানষিক উদ্বেগ কমায়
CBD, THC এর চেতনা পরিবর্তনকারি কার্যকারিতা কমিয়ে ফেলে
THC ঘুমে সহায়তা করে। CBD জাগিয়ে রাখতে সাহায্য করে
THC এর চেতনা পরিবর্তনকারি গুনাগুনের থাকায় ঔষধ হিসেবে এর ব্যবাহার বিতর্কিত। তাই হালকালে চিকিৎসার জন্য মানুষ CBD-সমৃদ্ধ-গাজা সেবনের দিকে বেশী ঝুঁকছে। বেশীর ভাগ গাজার জাতে THC বেশী থাকে এবং CBD কম থাকে। তাই গাজা উৎপাদনকারিগন CBD অধিক এমন জাত বের করার দিকে সচেতন এবং সচেস্ট হয়ে উঠেছেন।

রোগ নিরাময়ে গাঁজা
গাঁজা বলতেই একটা নেতিবাচক ধারনা মাথায় চলে আসে। আঁতকে ওঠি মাদকের কথা ভেবে। অথচ রোগ নিরাময়ে গাজার ব্যবহার আমাদের হয়ত অতটা জানা নেই। অনেক রোগে গাজার ব্যবাহারের কথা শোনা যায়। নীচে কিছু রোগের কথা বলা হলো-

গাঁজা সেবন ফুফুসের কার্যক্ষমতা কমায় না বরং বাড়ায়। Journal of the American Medical Association এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে। ৫,১১৫ জন রোগীর উপর ২০ বছর চালানো ও্ই গবেষণায় দেখা গেছে তামাক সেবনকারীদের ফুফুসের কার্যক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে অথচ গাঁজা সেবনকারীদের ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Robert J. DeLorenzo, of Virginia Commonwealth University তে ইঁদুরের উপর পরিচালিত এক নিরীক্ষায় দেখা গেছে গাঁজার নির্জাস এবং কৃত্রিম গাঁজা মৃগী রোগ উপশমে যথেষ্ট অবদান রাখে। গাঁজা সেবনের ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত ইঁদুরগুলো খিচুনি (seizure) মুক্ত ছিল।

Dravet Syndrome চিকিৎসায় গাজার উপকারিতা অতুলনী। Dravet Syndrome মৃগি রোগের একটা প্রকটতম রুপ। Dravet Syndrome এ আক্রান্ত শিশু শার্লটের গাজাঁ সেবনে সুস্থ্য হয়ে উঠার কাহিনী গণমাধ্যমে এ বহুল প্রচারিত হওয়ার ফলে রাতারাতি গাজা সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারনা বাড়তে শুরু করেছে।

গ্লুকোমার (glaucoma) চিকিৎসায় গাজার ব্যবহার হয়ে থাকে।

২০০৭ সালে California Pacific Medical Center in San Francisco তে গবেষনা করে দেখা গেছে CBD (cannabidiol) ক্যান্সার বিস্তৃতি প্রতিরোধ করতে যথেষ্ঠ সহায়তা করে। কেমোথেরাপি নেয়ার ফলে সৃষ্ট ব্যাথা এবং বমি বমি ভাব দুরীকরনে গাজার ব্যবহারে উপকৃত হয়েছেন বলে অনেকে জোর দাবী করেন।

Scripps Research Institute এর মতে গাজা আলঝেইমার (Alzheimer’s disease) রোগের অগ্রগতি রোধে ভুমিকা রাখে।

গাজা হেপাটাইটিস সি এর চিকিৎসার পার্শ প্রতিক্রিয়া কমিয়ে চিকিৎসাটিকে আরও কার্যকর করে তোলে। তাছাড়াও গাজা ব্যথা উপশমে, ঘুমাতে সাহায্য করে এবং প্রদাহ কমিয়ে গেঁটে বাত জনিত অস্বস্তি দূর করে।

ইসরাইলে গবেষনা করে দেখা গেছে গাজা পারকিনসন্স (Parkinson’s disease) রোগের কারনে সৃষ্ট দেহের কাপুনি এবং ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।

কঙ্কাশন এবং ট্রমা নিরোধে গাজা সক্রিয় ভুমিকা রাখে।

অনিদ্রা রোধ এবং বিচলন নিয়ন্ত্রনহীনতা উপশমে গাজার ব্যবহারের কথা শোনা যায়।

গাজা দেহে যেভাবে কাজ করে
মারিজুয়ানার ধুম পান করার সাথে সাথে উদ্দিপক রাসায়নিক দ্রব্যগুল রক্তের সাথে মিশে গিয়ে মস্তিস্কে এবং অন্যান অঙ্গে (organ) পরিবাহিত হয়। মস্তিস্কের কোষে (neuron) প্রবেশ করার সাথে সাথে cannabinoid receptor এর সাথে যুক্ত হয়। মস্তিষ্কের যে অংশ আনন্দ, স্মরণশক্তি, চিন্তাশক্তি, মনোযোগ এবং চলার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে সেখানে এদের আধিক্য দেখা দেয়। Cannabinoids আমাদের মস্তিস্কের communication network কে উদ্দিপ্ত করে মস্তিস্কের pleasure center এ dopamine নিঃসৃত করে একটা আনন্দময় অনুভুতির সৃস্ঠি করে যাকে বলা হয় ‘high’। মস্তিস্কের যে অংশগুলোতে প্রচুর cannaboids receptors থাকে সেগুলো হোল hippocampus, cerebellum, basal ganglia এবং cerebral cortex। যেসকল প্রক্রিয়াগুলো এই অঞ্চল গুলো নিয়ন্ত্রণ করে সেগুলো হলো-

১। শিক্ষা এবং স্মরণশক্তি ২। চলার ভারসাম্য এবং ৩।বিচার বিবেচনার ক্ষমতা।

মহান ব্যাক্তিদের গাজায় আসক্তি
অনেক কাল আগে থেকেই দুর্জনেরা বলে আসছেন "রাজা খায় গাজা"। তবে রাজা না হলেও সাধু-সন্নাসীদের প্রিয় অভ্যাসের তালিকায় গন্জিকা সেবন রয়েছে। কালের বিবর্তনে নব্য সাধুগন (কবি-চিত্রকার-শিল্পী) গাজা কে আপন করে নিয়েছেন।

গ্রিক দার্শনিক ও পন্ডিত পিথাগোরাস , বিখ্যাত ফরাসী সাহিত্যিক ভিক্টর উগো , ফরাসী কবি স্টিফেন মালারমে , ফরাসী কবি চার্লস বোদলার , ৩৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি ( ১৯১৭-১৯৬৩ )

এছাড়া শিক্ষাবিদ প্যারীচরণ সরকার ( ১৮২৩-১৮৭৫ ) এতই গাঁজার ভক্ত ছিল যে দৈনিক গাঁজা ছাড়া তাঁর চলতই না ।

বিশিষ্ট নাট্যকার ও নাট্য পরিচালক গিরিশ চন্দ্র ঘোষ (১৮৪৪-১৯১২) মদ-গাঁজা এই দু’টি মাদকেই আসক্ত ছিল ।

এমনকি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যাক্তি প্রেসিডেন্ট ওবামাও একসময় গাজার ভক্ত ছিলেন।

চলবে...

লেখক: গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র