শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২২ ১৪২৭ ||  ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ACI Agri Business

দেশি ফলের ভরা মৌসুমেও বেড়েছে বিদেশি ফলের আমদানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩:৩৫, ২০ জুলাই ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

করোনাকালে অন্যতম আলোচনার বিষয় ছিলো মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা। যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি করোনার সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকাটা তার জন্য অনেকটাই সহজ, এমন কথা বলে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরাও। আর সে কারণে অন্যান্য খাতে এই করোনা মহামারির সময় ব্যয় সংকোচন হলেও খাবারের বাজেটে মানুষের বাড়তি খরচ ছিলো শরীরের পুষ্টি যোগাতে। ফলে ফলমূল খেয়েছেন বেশি, আর এই যোগান দিতে বেড়েছে আমদানিও। ফল আমদানির সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে এমনটাই। খবর প্রথম আলোর।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত চার মাসে বিদেশি ফলের আমদানি বেড়েছে গত বছরের তুলনায় ১৮ শতাংশ। যদিও এখন দেশে চলছে দেশীয় ফলের ভরা মৌসুম। তারপরও বেড়েছে বিদেশি ফলের চাহিদা। 

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বিদেশি ফলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় আপেল ও মাল্টা। এ দুটি ফলের পরে আছে কমলা, আঙুর, নাশপাতি ও ডালিম। মার্চ–জুন সময়ে আপেল আমদানি ৪৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮০ হাজার টনে। একইভাবে কমলা–আঙুর, নাশপাতি, ডালিম আমদানি ৯২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯০৭ টনে। 

বিদেশি ফলের আমদানি বাড়ায় বৈশ্বিক আমদানির তালিকায়ও উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, আপেল আমদানিতে তিন বছর আগে সপ্তম অবস্থানে থাকা বাংলাদেশের এই তালিকায় এখন তৃতীয় অবস্থানে।  পণ্যের বাজার পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ইনডেক্সমুন্ডির তথ্য অনুযায়ী, মাল্টা আমদানিতেও তিন ধাপ এগিয়ে পঞ্চম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশ ফল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিদেশি ফলের চাহিদা কমবেশি সারা বছরই থাকে। দিন দিন সেই চাহিদা আরও বাড়ছে। এ কারণে বাড়ছে আমদানিও। তবে এবার করোনা ও রোজা মিলিয়ে ফল আমদানি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা। তাঁর মতে, দাম হাতের নাগালে থাকায় সব শ্রেণি–পেশার মানুষের এখন ফল কেনার আগ্রহ বেশি।

Advertisement
Advertisement