বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ||  কার্তিক ৮ ১৪২৬ ||  ২৪ সফর ১৪৪১

চিনি রপ্তানির শীর্ষস্থানীয় দেশ কিউবা এখন আমদানি নির্ভর

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১:০৩, ২ নভেম্বর ২০১৮

বিশ্বে চিনি উৎপাদন ও রপ্তানিতে একসময় নেতৃত্বের আসনে ছিল কিউবা। সেই কিউবাকেই এখন স্থানীয় চাহিদা পূরণে আমদানি করতে হচ্ছে চিনি। আর এই দৈন্যদশার জন্য দায়ী করা হচ্ছে প্রতিকূল আবহাওয়া, বিনিয়োগের অভাব ও বাজার হারানোকে। খবর এএফপি।

১৯৯০-এর দশকে কিউবা বছরে প্রায় ৮০ লাখ টন চিনি উৎপাদন করত। তবে এক দশক পরই দেশটিতে চিনি উৎপাদন ২০ লাখ টনে নেমে আসে। হারিকেন ইরমার আঘাত হানার পর ২০১৭-১৮ মৌসুমে দেশটিতে চিনি উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হয়। সাথে ভারী বৃষ্টিপাতও চিনি উৎপাদনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। মাত্র দেড় যুগের ব্যবধানে দেশটির চিনি উৎপাদন ৬৯ লাখ কমে দাঁড়ায় ১১ লাখ টনে। ঘাটতি মেটাতে বর্তমানে ফ্রান্স থেকে চিনি আমদানি করছে দেশটি।

ফ্রান্সের খামার ও সামুদ্রিক খাদ্যপণ্য রপ্তানি বিষয়ক সরকারি সংস্থা ফ্রান্সএগ্রিমের জানিয়েছে, ২০০১-১৭ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স থেকে মাত্র তিন টন চিনি আমদানি করেছে কিউবা। অথচ চলতি বছরের জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত এর পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার টনে। ফ্রান্সএগ্রিমের পক্ষ থেকে বলা হয়, ইতিহাসে এ প্রথমবারের মতো ফ্রান্স থেকে এত বেশি পরিমাণ চিনি আমদানি করেছে কিউবা।

আগে দেশটির রফতানির ৭৫ শতাংশই ছিল চিনি। ২০১৫ সালে তা ১৩ শতাংশে নেমে আসে। মূলত প্রধান ক্রেতা সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরই কিউবার চিনি রপ্তানিতে ধস নামে। ১৯৬০ সালের আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রও কিউবার চিনির অন্যতম প্রধান ক্রেতা ছিল। 

একসময় কিউবায় ১শ’ ৫০টির মতো আখ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা ছিল। বর্তমানে তা নেমে এসেছে ৫০ এর ঘরে।