সোমবার   ০১ জুন ২০২০ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৭ ১৪২৭ ||  ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা

কৃষি বিপ্লবের নায়ক বঙ্গবন্ধু - কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:৩৭, ১৩ আগস্ট ২০১৮

এ দেশের কৃষির উন্নয়নে অল্পসময়ে সবচে বেশি কাজ করে গেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণেই ঘুরে দাড়ায় এ দেশের কৃষি ও কৃষক। জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন প্রধান বক্তা কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।

রোববার রাজধানীতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতারপর যুদ্ধ বিধ্বস্থ দেশ, গুদামে চাল নাই, ব্যাংকে টাকা নাই। বঙ্গবন্ধু বলেন- আমার মাটি আছে, মানুষ আছে, আমি বাংলাকে গড়বো। বঙ্গবন্ধু ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকদের খাজনা মওকুফ করে দেন। পাকিস্তানী আমলের কৃষি ঋণ মওকুফ করে দেন। এছাড়া কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রকমের গবেষণা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে বাঙ্গালী জাতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীকে হারিয়েছে উল্লেখ করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, রক্ত যদি স্বাধীনতার দাম হয়, তাহলে বাংলাদেশের দাম অনেক বেশি।

“বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ দানাদার খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। চাল উৎপাদনে বিশ্বে-তৃতীয়, মাছ উৎপাদনে বিশ্বে-তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে বিশ্বে -তৃতীয় স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নিত হয়েছে। দেশে আজ শেখ হাসিনার হাত ধরে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল বইছে” বলেন কৃষিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জনাব নারায়ন চন্দ্র চন্দ বলেন, বাংলার কৃষক ও কৃষিকে ভালোবেসে বঙ্গবন্ধু কৃষি বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর নজর ছিলো সবচেয়ে বেশি। বঙ্গবন্ধু ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা দেখতে চেয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি, মৎস্য ও প্রানী সম্পদ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, ইতিহাসের মহানায়ক যে মহামানবের সৃষ্টি না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। সে মহান নেতাকে ও তাঁর পরিবারকে ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ কাকডাকা ভোরে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তাদের বুলেটের আঘাতে হত্যাকরা হয়। যা জাতির জন্য লজ্জাকর বলে উল্লেখ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ।