বৃহস্পতিবার   ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||  আশ্বিন ১ ১৪২৮ ||  ০৮ সফর ১৪৪৩

ACI Agri Business

করোনায় লোকসানের মুখে আম ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:০৩, ৩১ মে ২০২১

দেশে আমের বাজার শুরু হলেও বাজারে পাইকারি ও খুচরা ক্রেতার সংখ্যা সীমিত। তবে অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় এবার বাজারে আমের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।তবে বেচাকেনা কম যার ফলে লোকসানের মুখে আম ব্যবসায়ীরা।

করোনা মহামারির কারণে বাজারে পাইকার অনেক কমে গেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মাল আসতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যার ফলে এবার অনেক লোকসানের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্টরা ।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি মাঝারি হিমসাগর আম পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫০ টাকা দরে। আর সেটি প্রতি কেজি খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। ল্যাংড়া আম প্রতি কেজি পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা করে এবং খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দরে।

অন্যান্য আম যেমন-আম্রপালি, লক্ষণভোগ এগুলোর দর কমতি নেই। দাম বৃদ্ধি পেয়ে কেজি প্রতি খুচরা আম্রপালি আম বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। লক্ষণভোগ পাইকারি ৩০ থেকে ৩৫ হলেও তা খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকার উপরে।

রাজধানীর বৃহৎ পাইকারি কাঁচামালের বাজার কাওরানবাজারে আমের আড়তদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, করোনার জন্য পাইকারি অনেক কমে গেছে। গেল বছরগুলো তুলনায় এবার বেচাকেনা খুবই কম। এ সময় আমরা ১ ঘণ্টায় ৫০০ থেকে ১ হাজার ক্যারেট আম বিক্রি হত সেই একই মাল এখন বিক্রি করতে সময় লাগছে প্রায় এক সপ্তাহ। আগে যেখানে পাইকাররা একজনেই ১০০ থেকে ২০০ ক্যারেট আম নিতো, এখন তারা নিচ্ছে ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০ ক্যারেট মাল। বেচাকেনা একেবারেই কম। এইভাবে চলতে থাকলে  লোকসানের মুখে পড়তে হবে বলে আশঙ্কা করছে ব্যবসায়ীরা।

পাইকারদের কাছ থেকে বাড়তি দামে আম কিনতে হচ্ছে উল্লেখ করে বাজারের  খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান আম বাজারে কম আসছে।

বাগানের বাছাইকৃত আমের দাম তুলনামূলক একটু বেশি হওয়ায় এবং চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনের আড়ালে অনলাইনে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের নিম্নমানের আম সরবরাহের কারণে অনলাইন থেকে আম কেনায় গ্রাহকদের আস্থা এখন নিম্নমুখী। এছাড়া কুরিয়ার সার্ভিস ফি তুলানমূলক বেশি হওয়ায় অনলাইনে ব্যবসাও খুব একটা হচ্ছে না। ফলে কুরিয়ার সার্ভিসের ফি আরও কমানোর দাবি জানিয়েছেন অনলাইন ব্যবসায়ীরা। 


 

Advertisement
Advertisement