বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯ ||  কার্তিক ৮ ১৪২৬ ||  ২৪ সফর ১৪৪১

ইলিশে সয়লাব বাজার, জমজমাট বেচা-কেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯:৫১, ২ অক্টোবর ২০১৮

আর মাত্র পাঁচ দিন পরেই ২২ দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইলিশ ধরা ও বেচা-কেনা। তাই আগেভাগেই ইলিশ কিনে নেয়ার ক্রেতা সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ইলিশের বাজার এখন জমজমাট। নদী-সাগরে ধরাও পড়ছে প্রচুর পরিমাণে ইলিশ, দামও এসেছে হাতের নাগালে। 

দাম হাতের নাগালে থাকায় ক্রেতারা হাসিমুখে ইলিশ কিনছেন বেশি বেশি করে। নির্ধারিত বাজার ছাড়াও রাজধানীর আবাসিক এলাকায়, পথে ঘাটে ফেরি করে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে। কারওয়ান বাজারে এক কেজি ওজনের প্রতি পিস ইলিশ ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আট থেকে নয়শ’ গ্রাম ওজনের প্রতি পিস ইলিশ বিক্রি হয়েছে ৫০০-৬০০ টাকায়। ছোট আকারের প্রতি পিস ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২০০-২৫০ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা ইমরান হাসান কৃষি প্রতিদিনকে বলেন, গত কয়েকদিনের ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি এবং পূর্ণিমার জো-তে সমুদ্র থেকে শুরু করে দেশের নদীগুলোতে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ। ফলে রাজধানীর বাজারগুলোতেও ইলিশের সরবরাহ তুলনামূলক বেশি। দামও কম, বিক্রিও ভালো হচ্ছে। 

ইলিশ কিনতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আমানুৃর রহমান বলেন, মৌসুমের শুরুতে ইলিশের দাম খুব চড়া ছিলো। তখন শুধু বাজার ঘুরে দাম দেখে যেতাম এবং খোজ রাখতাম দাম কমছে কী না। এখন দাম নাগালের মধ্যে এসেছে। তাই, সাধ্য অনুযায়ী কিছু ইলিশ কিনে নিলাম, কারণ কদিন পরতো ইলিশের বেচা-কেনাও বন্ধ শুনেছি। 

ইলিশ গবেষক ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চাঁদপুর নদী কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আনিসুর রহমান বলেন, সাগর-নদীতে এখন কাংখিত ইলিশ ধরা পড়ছে। ইলিশ সংরক্ষণে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে এবং মানুষ যেভাবে সচেতন হচ্ছে তাতে বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন দিন দিন বাড়বে বলেও আশা করেন এই বিজ্ঞানী।

গত মৌসুমে প্রায় পাঁচ লাখ টন ইলিশ আহরিত হয়। এবারও তার কম হবে না বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।