শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২২ ১৪২৭ ||  ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

ACI Agri Business

আম্ফানের ক্ষতি পোষাতে নগদ প্রণোদনা চায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত

প্রকাশিত: ০০:১২, ২৪ মে ২০২০

সুপার সাইক্লোন আম্পানের প্রভাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাষি, খামারি ও উদ্যোক্তাদের জরুরিভিত্তিতে নগদ আর্থিক সহায়তাসহ সহজ শর্তে সুদবিহীন ঋণ দিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। 

শুক্রবার (২২ মে) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

চিঠিতে বলা হয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলে ‘আম্পান’-এর প্রভাবে মাছ, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগীর ক্ষয়-ক্ষতির প্রাথমিক বিবরণ পাওয়া গেছে। তবে ক্ষয়-ক্ষতির চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুতকরণে যাচাই-বাছাই চলছে। চিঠিতে আরো জানানো হয়েছে, করোনা মহামারির বিরূপ প্রভাবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিনিয়োগকারীরা চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তদুপরি ‘আম্পান’ এর প্রভাবে এ খাত সংশ্লিষ্টরা আরও হতাশ হয়ে পড়ছেন। এ অবস্থা চলতে থাকলে প্রাণিজ পুষ্টির যোগানদাতা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত হুমকির মুখে পড়বে, যার প্রভাব গোটা জাতির উপর পড়বে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এ পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্র্রণালয় ‘আম্পান’ এর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ খাতের চাষি, খামারি ও উদ্যোক্তাদের নগদ আর্থিক প্রণোদনাসহ সহজ শর্তে সুদবিহীন ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

 উল্লেখ্য, বরিশাল ও খুলনা বিভাগ হতে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী ‘আমফান’ এর প্রভাবে মৎস্য খাতে ক্ষতির পরিমাণ ৩০৫কোটি ৫০লক্ষ টাকা এবং প্রাণিসম্পদ খাতে ১ কোটি ০৪ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। যার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য খামারের সংখ্যা ২৪ হাজার ৩৫০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগীর খামারের সংখ্যা ৫০ হাজার ১৩৮টি।
 

Advertisement
Advertisement