বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২০ ||  কার্তিক ১৩ ১৪২৭ ||  ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ACI Agri Business

অনলাইনে কোরবানির পশু হাট; ট্রেনেও হবে পরিবহন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩:০৫, ৯ জুলাই ২০২০

করোনা মহামারির সংক্রমণ রোধে এবার অনলাইন প্লাটফর্মে কোরবানির পশু কেনা-বেচায় মানুষকে উৎসাহিত করার নির্দেশ দিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে তৃণমূল পর্যায়ে খামারীদের সহযোগিতা করার তাগিদ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। একই সাথে এবার ট্রেনে কোরবানির পশু পরিবহনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।   

বৃহস্পতিবার বিকেলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনলাইনে গবাদিপশু কেনা-বেচা এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মাধ্যমে পরিবহন সংক্রান্ত এক অনলাইন সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “গবাদিপশুর ক্রয়-বিক্রয় যতটা সম্ভব অনলাইন প্লাটফর্মে করতে হবে। এ বিষয়টি তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে হবে। অনলাইনে গবাদিপশুর মূল্য নির্ধারণে মাঠ পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলো সহায়তা করবে। ইতোমধ্যে তারা প্রান্তিক খামারিদের উৎসাহিত করছে। ট্রাকের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে স্বল্প খরচে রেলওয়ের মাধ্যমেও গবাদিপশু পরিবহন করা যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রাণিসম্পদ দপ্তরগুলো ট্রেনের রুট ও সিডিউল ঠিক করে দেবে।”

প্রতিটি জেলা প্রশাসন মোবাইল অ্যাপস এর মাধ্যমে অনলাইনে কোরবানির গবাদিপশু কেনা-বেচার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে সভায় জানান বিভাগীয় কমিশনাররা। ডিজিটাল প্লাটফর্মে বিভাগের অন্তত ৩০ শতাংশ গবাদিপশু কেনা-বেচা করার প্রচেষ্টা থাকবে বলেও তারা আশ্বস্ত করেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালানো প্রয়োজন বলেও তারা সভায় অভিমত দেন। 

কোরবানির পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যসত্ত্বলোভী, অযৌক্তিক ও বেআইনি জুলুমের হাত থেকে বাঁচাতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন “গবাদিপশুর পরিবহনে কোনভাবেই যেনো চাঁদাবাজি না হয়। সিন্ডিকেট করে ট্রাক আটকানো বন্ধ করতে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। খামারি ও গবাদিপশু বিক্রেতারা যেনো কোনভাবেই হয়রানির শিকার না হয়। যারা হাটের বাইরে পশু বিক্রি করবে তাদের কাছে যেনো কেউ টোল বা হাসিল তুলতে না যায়। এ বিষয়গুলোতে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।”

পরিবেশ দূষণের আতঙ্ক যেনো কোরবানিকে ঘিরে না হয় এবং পশুর চামড়া এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনধরণের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি যাতে না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারদের তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, পৌর এলাকা ও গ্রামের হাট-বাজারের বিষয়ে যত্নবান হবার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকারসহ সকল বিভাগীয় কমিশনার এবং বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপপরিচালকরা এই অনলাইন সভায় অংশ নেন।

Advertisement
Advertisement